কামজংয়ে সশস্ত্র হামলায় বাবা-ছেলে সহ চার নাগা নাগরিকের মৃত্যু।
পিলং গ্রামে হামলার অভিযোগ, KNA-B ক্যাডারদের জড়িত থাকার দাবি—সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও মেলেনি।

কামজং, ২৪ সেপ্টেম্বর: মণিপুরের কামজং জেলার সীমান্তবর্তী পিলং গ্রামে সশস্ত্র হামলায় চারজন তাংখুল নাগা বেসামরিকের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের বাবা ও ছেলে রয়েছেন।
নিহতদের পরিচয় হিসেবে *ভারেশিম জাজো, তাঁর ছেলে **ফামি জাজো, **বেটারসন জাজো* এবং *নিংথেম কাশাক*-এর নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ভারেশিম ও ফামি কাংপাট খুল্লেনের, বেটারসন কাংপাট খুনৌয়ের এবং নিংথেম কাশাক জিংসুই গ্রামের বাসিন্দা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সময় পাঁচজন তাংখুল নাগা বেসামরিক পিলং এলাকায় ছিলেন। সশস্ত্র ব্যক্তিরা তাঁদের ঘিরে ফেললে আখান কাপিং নামে এক ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং পরে ঘটনার কথা জানান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি পিলং গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায়, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ৯১ থেকে ৯৩ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের কাছাকাছি ঘটেছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দুর্গম অবস্থানের কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ও দেহ উদ্ধারে সমস্যার কথা স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
হামলার ঘটনায় *সন্দেহভাজন Kuki National Army-Burma (KNA-B)* ক্যাডারদের জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। তবে এটি এখনও *সূত্রনির্ভর অভিযোগ*। EastMojo-এর প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত কামজং পুলিশ বা নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা KNA-B-এর সম্পৃক্ততা সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
জানা গিয়েছে, কামজং পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের দিকে যায় এবং দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি তদন্ত শুরু করার উদ্যোগ নেয়। ফলে ঘটনাটির পরবর্তী পরিস্থিতি এবং নিহতদের বিষয়ে সরকারি তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা রয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে একই পরিবারের বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।








