দেশের ভিতরেই উগ্র অপরাধী চক্রের দাপট! টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

ফেসবুক পোস্ট ও অডিও বার্তায় হামলার দায় স্বীকারের দাবি অনিল পণ্ডিতের, সলমন খানের সঙ্গে কাজ করা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ব্যক্তিদের হুমকি;
মুম্বই, ১৯ অক্টোবর: দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিচালনার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই হামলার দায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হয়ে অনিল পণ্ডিত ও হরমন সন্ধু নামে দুই ব্যক্তির বলে দাবি করা হয়েছে একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও অডিও বার্তায়। তবে ওই দাবি এবং হামলার সঙ্গে গ্যাংয়ের প্রকৃত যোগসূত্র এখনও পুলিশ নিশ্চিত করেনি।
রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের জুহু এলাকায় টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে বাইকে আসা দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। অভিনেতা অক্ষত থাকলেও তাঁর গাড়ির চালকসহ দু’জন আহত হন। ঘটনার পর তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশ। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে একাধিক বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেসবুকে একটি পোস্ট এবং অডিও বার্তা প্রকাশ্যে আসে। সেখানে অনিল পণ্ডিত নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচয় দিয়ে হামলার দায় স্বীকারের দাবি করেন। অডিওতে চলচ্চিত্র জগতের যাঁরা সলমন খানের সঙ্গে কাজ করবেন, তাঁদেরও আক্রমণের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
তবে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত দাবি মানেই অপরাধে সংশ্লিষ্টতার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। পোস্ট ও অডিওর সত্যতা, হামলার উদ্দেশ্য এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা যাচাই করছে পুলিশ। তদন্তের ফল সামনে না আসা পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠীর দায় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম একাধিক আলোচিত অপরাধ ও হুমকির ঘটনার সঙ্গে উঠে এসেছে। টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিচালনার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে—কারাগারে বন্দি বা বিদেশে অবস্থানকারী অপরাধী চক্রের সদস্যদের নাম ব্যবহার করে কীভাবে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এমন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে?








