৩০ ঘণ্টা পেরিয়েও খোঁজ নেই ওয়াহিদার, সোনাই নদী ও আশপাশে এসডিআরএফের তল্লাশি

সোনাইয়ের সুন্দরী প্রথম খণ্ড থেকে নিখোঁজ আড়াই বছরের শিশুকন্যা; কচুদরম পুলিশের সঙ্গে যৌথ উদ্ধার অভিযান, উদ্বেগে পরিবার ও স্থানীয়রা

সোনাই: সময় গড়াচ্ছে, সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু এখনও খোঁজ মেলেনি দুই বছর চার মাস বয়সি শিশুকন্যা ওয়াহিদা বেগম মজুমদারের। নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও শিশুটির কোনও সন্ধান না মেলায় গভীর উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিট নাগাদ সোনাই বিধানসভা এলাকার ভাউরিকান্দি জিপির সুন্দরী প্রথম খণ্ডে মামার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ওয়াহিদা। তার বাবা সাহানুর আহমেদ মজুমদার। শিশুটির পৈতৃক বাড়ি কচুদরম চতুর্থ খণ্ডের গাঙুলি গ্রামে।

শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের আশঙ্কা, শিশুটি অসাবধানতাবশত সোনাই নদীতে পড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি, অন্য কোনওভাবে সে নিখোঁজ হয়েছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার দুপুর থেকে এসডিআরএফ এবং কচুদরম পুলিশ যৌথভাবে সোনাই নদী ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে। নদী এবং সংলগ্ন এলাকায় শিশুটির সন্ধানে তল্লাশি চালানো হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনও খোঁজ মেলেনি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে।
দুই বছর চার মাস বয়সি শিশুকন্যার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দ্রুত তার সন্ধান পাওয়ার আশায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শিশুটিকে উদ্ধার করতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এখনও পর্যন্ত ওয়াহিদার নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট নয়। নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কিংবা অন্য কোনও সম্ভাবনা—কোনওটিকেই নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে বলা যাচ্ছে না। শিশুটির সন্ধান পেতে পরিবার ও স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।








