নতুনবাজারে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা বেড়ে ৫, আইসিইউতে ৬৩ বছরের শ্যামদেও।

নতুনবাজারে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা বেড়ে ৫, আইসিইউতে ৬৩ বছরের শ্যামদেও।

শিলচর–আইজল ৩০৬ নম্বর জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খেতের মাঠে উল্টে পড়ল ই-রিকশা, আহতদের মধ্যে ১১ বছরের শিশুও।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর : শিলচর–আইজল ৩০৬ নম্বর জাতীয় সড়কের নতুনবাজারে ওভারব্রিজের নিচের মোড়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে। শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে আমড়াঘাট থেকে কাবুগঞ্জ হয়ে শিলচর অভিমুখে যাওয়ার পথে একটি নতুন ই-রিকশা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। সুত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে মোড় নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ড্রেনের উপর দিয়ে পাশের খেতের মাঠে উল্টে পড়ে ই-রিকশাটি। প্রথমে তিনজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও শনিবার আরও দু’জনের আহত হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও আহতদের পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছিল, এই দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন ধলাইয়ের মণিয়ারখাল এলাকার বাসিন্দা ৬৩ বছর বয়সি শ্যামদেও কাহার এবং দুই যুবক মুন্না ভূমিজ ও মনা মাল।

শনিবার *দ্যা বরাক লাইভ ২৪*-কে এক মহিলার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন গঙ্গানগর তৃতীয় খণ্ডের বাসিন্দা রিজমা বেগম ও তাঁর ১১ বছরের ছেলে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ১০৮ অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে শ্যামদেও কাহারের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছিলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু গুয়াহাটিতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাঁকে ফিরিয়ে এনে শিলচরের গ্রিন হিলস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবার সূত্রে খবর, বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে, মুন্না ভূমিজ ও মনা মাল শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর থেকে ই-রিকশার চালকের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ই-রিকশাটি সোনাই পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।

একই দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জাতীয় সড়কের এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রকৃত কারণ ও কোন পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে, তা জানতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

और पढ़ें

error: Content is protected !!