দুবাই–তেল আবিবগামী Boeing 737-তে মাঝআকাশে ককপিটে দুই পাইলটের সংঘর্ষ, ১৭৪ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার আহত দুবাই, ৩০ সেপ্টেম্বর: দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী Flydubai-এর FZ1073 নম্বরের একটি Boeing 737 MAX 8 বিমানে মাঝআকাশে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠিয়ে গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানে ছিলেন ১৭৪ জন যাত্রী। Flydubai জানিয়েছে, বিমানের ফ্লাইট ডেকে একটি ‘altercation’ বা সংঘর্ষ হয়েছিল। বিমানে যাত্রী হিসেবে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত Flydubai ক্রুরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিমানটিকে নিরাপদ করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানে থাকা **সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ এবং তাঁদের হিসাব নিশ্চিত করা হয়েছে**। তবে ঘটনার মূল কারণ ও উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয় এবং আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছে। ককপিটে কী ঘটেছিল? ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে Reuters জানিয়েছে, এক পাইলট অপর পাইলটকে আক্রমণ করার পর বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারায়। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতা খুব অল্প সময়ে হারিয়েছিল। এরপর বিমান থেকে প্রথমে 7700 সাধারণ জরুরি সংকেত এবং পরে 7500, অর্থাৎ unlawful interference-এর সংকেত পাঠানো হয়। এর ফলে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য হাইজ্যাকের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনীও সতর্ক হয়। তবে পরবর্তী পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি প্রথাগত অর্থে হাইজ্যাক ছিল না; বরং দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ থেকেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। Flydubai-ও ঘটনাটিকে ‘altercation’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনও ধরনের অনুমান না করার আহ্বান জানিয়েছে। আহত ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেনের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে স্মিত মচ্ছার (Smit Machchhar) হিসেবে। তিনি একজন **ভারতীয় নাগরিক**। তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে এবং অপর পাইলটকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভারতের দূতাবাস জানিয়েছে, স্মিত মচ্ছার তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিত মচ্ছার এর আগে SpiceJet-এ প্রায় ১১ বছর কাজ করেছিলেন এবং পরে Flydubai-তে যোগ দেন। তবে তাঁর কর্মজীবনের বিস্তারিত তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সূত্রের ভিত্তিতে এসেছে। ১৭৪ যাত্রীকে নিয়ে নিরাপদে অবতরণ তাবুকের Prince Sultan bin Abdulaziz International Airport জানিয়েছে, বিমানটি জরুরি অবতরণের আবেদন করার পর নিরাপদে রানওয়েতে নামে। ক্যাপ্টেন ও ফার্স্ট অফিসার দুজনকেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি যাত্রীদের নিরাপদে বিমান থেকে নামানো হয়। পরে তাবুক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৭৪ জন যাত্রীকেই বিকল্প বিমানে তাঁদের গন্তব্য তেল আবিবে পাঠানো হয়েছে। বিকল্প বিমানটি স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে তাবুক থেকে ছেড়ে যায়। তদন্ত শুরু📍 ঘটনার পর সৌদি আরবের National Transport Safety Center (NTSC) তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনার প্রকৃত কারণ, বিমানের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পরিস্থিতি এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিল তার প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। Flydubai-ও জানিয়েছে, ঘটনার মূল কারণ ও উদ্দেশ্য এখনও অজানা এবং আনুষ্ঠানিক তদন্তের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে। ফলে পাইলটদের মধ্যে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিমান দখলের চেষ্টা হিসেবে চূড়ান্তভাবে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। ১৭৪ যাত্রীকে নিয়ে আকাশে তৈরি হওয়া ভয়াবহ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নেয়নি। তাবুকে নিরাপদ অবতরণ এবং পরে যাত্রীদের বিকল্প বিমানে তেল আবিবে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পূর্ণ রহস্য এখন তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায়। অ্যাম্বুলেন্স আটকানোর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ জেলাশাসকের।  মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ও অ্যাম্বুলেন্স বিতর্ক, ৪ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড; এবার ক্ষমা চাইলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের জন্য অ্যাম্বুলেন্স আটক, কাছাড়ে ৪ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড।  শিলচরে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, বরাকের উন্নয়ন নিয়ে রিভিউ মিটিং শ্রীকোণার অসম সচিবালয়। খোরদাক এলাকায় যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ও অ্যাম্বুলেন্স বিতর্ক, ৪ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড; এবার ক্ষমা চাইলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ও অ্যাম্বুলেন্স বিতর্ক, ৪ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড; এবার ক্ষমা চাইলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী

ঘটনার পর বিশেষ পোস্ট হিমন্ত বিশ্ব শর্মার, জরুরি রোগীদের ক্ষেত্রে কোনও আপস নয়—কঠোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শিলচর, ৩০ সেপ্টেম্বর:
মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় চলাচলের সময় শিলচরের রামনগর ISBT এলাকায় ১০৮ অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার ঘটনায় ইতিমধ্যেই কাছাড় পুলিশের চার কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার এই ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিশেষ পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁর কনভয়ের জন্য কোনও অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ঘটনার জন্য রোগী এবং তাঁদের পরিবারের কাছে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে এমন কোনও রোগীর জীবন কখনও তাঁর যাত্রার কারণে অগ্রাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারে না। সাধারণ নাগরিকের যাতায়াত এবং জরুরি পরিষেবা যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় চলাচলের কারণে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে তাঁর নির্দেশ স্পষ্ট বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলির বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এর আগে ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কাছাড় পুলিশের পক্ষ থেকে চার পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। সরকারি আদেশ অনুযায়ী, SI বিজয় গোস্বামী, SI শিবশঙ্কর দাস, LNK জাহুরুল ইসলাম এবং LNK কাওসার আহমেদ বড়ভূঁইয়া-কে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলছে।

ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালক আলি আবদুল লস্কর-এর বক্তব্যও সামনে আসে। অন্যদিকে, কাছাড়ের SSP পার্থ প্রতিম দাস জানিয়েছিলেন, অ্যাম্বুলেন্সটি খালি ছিল এবং কনভয়কে আগে যাওয়ার জন্য চালককে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর সর্বশেষ বার্তায় বিষয়টি নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে—VIP কনভয়ের চলাচলের কারণে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা বা সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত করা যাবে না। নির্দেশ অমান্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

और पढ़ें

দুবাই–তেল আবিবগামী Boeing 737-তে মাঝআকাশে ককপিটে দুই পাইলটের সংঘর্ষ, ১৭৪ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার আহত দুবাই, ৩০ সেপ্টেম্বর: দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী Flydubai-এর FZ1073 নম্বরের একটি Boeing 737 MAX 8 বিমানে মাঝআকাশে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠিয়ে গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানে ছিলেন ১৭৪ জন যাত্রী। Flydubai জানিয়েছে, বিমানের ফ্লাইট ডেকে একটি ‘altercation’ বা সংঘর্ষ হয়েছিল। বিমানে যাত্রী হিসেবে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত Flydubai ক্রুরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিমানটিকে নিরাপদ করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানে থাকা **সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ এবং তাঁদের হিসাব নিশ্চিত করা হয়েছে**। তবে ঘটনার মূল কারণ ও উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয় এবং আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছে। ককপিটে কী ঘটেছিল? ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে Reuters জানিয়েছে, এক পাইলট অপর পাইলটকে আক্রমণ করার পর বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারায়। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতা খুব অল্প সময়ে হারিয়েছিল। এরপর বিমান থেকে প্রথমে 7700 সাধারণ জরুরি সংকেত এবং পরে 7500, অর্থাৎ unlawful interference-এর সংকেত পাঠানো হয়। এর ফলে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য হাইজ্যাকের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনীও সতর্ক হয়। তবে পরবর্তী পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি প্রথাগত অর্থে হাইজ্যাক ছিল না; বরং দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ থেকেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। Flydubai-ও ঘটনাটিকে ‘altercation’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনও ধরনের অনুমান না করার আহ্বান জানিয়েছে। আহত ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেনের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে স্মিত মচ্ছার (Smit Machchhar) হিসেবে। তিনি একজন **ভারতীয় নাগরিক**। তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে এবং অপর পাইলটকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভারতের দূতাবাস জানিয়েছে, স্মিত মচ্ছার তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিত মচ্ছার এর আগে SpiceJet-এ প্রায় ১১ বছর কাজ করেছিলেন এবং পরে Flydubai-তে যোগ দেন। তবে তাঁর কর্মজীবনের বিস্তারিত তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সূত্রের ভিত্তিতে এসেছে। ১৭৪ যাত্রীকে নিয়ে নিরাপদে অবতরণ তাবুকের Prince Sultan bin Abdulaziz International Airport জানিয়েছে, বিমানটি জরুরি অবতরণের আবেদন করার পর নিরাপদে রানওয়েতে নামে। ক্যাপ্টেন ও ফার্স্ট অফিসার দুজনকেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি যাত্রীদের নিরাপদে বিমান থেকে নামানো হয়। পরে তাবুক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৭৪ জন যাত্রীকেই বিকল্প বিমানে তাঁদের গন্তব্য তেল আবিবে পাঠানো হয়েছে। বিকল্প বিমানটি স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে তাবুক থেকে ছেড়ে যায়। তদন্ত শুরু📍 ঘটনার পর সৌদি আরবের National Transport Safety Center (NTSC) তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনার প্রকৃত কারণ, বিমানের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পরিস্থিতি এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিল তার প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। Flydubai-ও জানিয়েছে, ঘটনার মূল কারণ ও উদ্দেশ্য এখনও অজানা এবং আনুষ্ঠানিক তদন্তের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে। ফলে পাইলটদের মধ্যে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিমান দখলের চেষ্টা হিসেবে চূড়ান্তভাবে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। ১৭৪ যাত্রীকে নিয়ে আকাশে তৈরি হওয়া ভয়াবহ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নেয়নি। তাবুকে নিরাপদ অবতরণ এবং পরে যাত্রীদের বিকল্প বিমানে তেল আবিবে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পূর্ণ রহস্য এখন তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায়।

error: Content is protected !!