ধলাইয়ে যুবতীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ, পশু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এজাহার

অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবিতে ধলাই থানায় মইরা পাইবি সংগঠনসহ অর্ধশতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে বিক্ষোভ ম, তদন্তে পুলিশ
আর. এইচ. মজুমদার, ধলাই, ২৫ অক্টোবর: একাকিত্বের সুযোগ নিয়ে এক যুবতীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশী পশু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধলাই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধলাই থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারিণীর পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, এজাহার দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগকারিণীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ অক্টোবর রাতে পূজা দেখে বাড়ি ফেরার সময় ওই যুবতীর সঙ্গে অপকর্মের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রতিবেশী বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের পশু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারিণী মণিপুরী সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ধলাই থানায় বিষয়টি জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়।

এজাহারের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযোগকারিণীর বয়ান রেকর্ড করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সাত দিন পর, গত শনিবার ২৫ অক্টোবর, অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে মইরা পাইবি সংগঠনের সদস্য-সদস্যাসহ অর্ধশতাধিক পুরুষ ও মহিলা ধলাই থানায় উপস্থিত হন। তাঁরা পুলিশের কাছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ধলাই থানার অফিসার ইনচার্জ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির অংশ হিসেবে শনিবার ফের অভিযোগকারিণীর বয়ান রেকর্ড করা হয়।

এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার মহিলা সমিতি ও মইরা পাইবি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। থানা থেকে মাত্র এক থেকে দেড় কিলোমিটার দূরত্বে এমন অভিযোগ ওঠায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, ধলাই থানার অফিসার ইনচার্জ সোর্মেশ্বর কুওর জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।
তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে দেখা উচিত নয়।








