কাটাখালে গরু চুরির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার। রাতে গরু চুরি করে সকালেই গো-মাংস বিক্রির অভিযোগ।
সিসিটিভি ফুটেজ ও গাড়ির সূত্র ধরে ১৫ দিনের তদন্তে সাফল্য ধলাই পুলিশের; আরও অভিযুক্তদের ধরার দাবি এলাকাবাসীর।

কাবুগঞ্জ , ২৭ সেপ্টেম্বর: ধলাইয়ের কাটাখাল এলাকায় গরু চুরির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম জাবেদ হুসেন বড়ভূঁইয়া। সিসিটিভি ফুটেজ এবং চুরিতে ব্যবহৃত গাড়ির সূত্র ধরে দীর্ঘ তদন্তের পর সোনাবাড়িঘাট এলাকার তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ মতে, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাত প্রায় পৌনে ২টা নাগাদ কাটাখাল এলাকায় একটি বাড়ি থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটে। রাতের অন্ধকারে দুই ব্যক্তি ও এক গাড়িচালক একটি আই-১০ গাড়িতে করে এসে বাড়ি থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যায়। পরদিন গরুর মালিক ধলাই থানায় এজাহার দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নামে ধলাই থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে চুরিতে ব্যবহৃত গাড়িটির সন্ধান পান তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা যায়, ঘটনার মাত্র পাঁচ দিন আগে গাড়িটি সোনাইয়ের নগদীরগ্রাম তৃতীয় খণ্ড এলাকা থেকে জাবেদ কিনেছিল।
এরপর গাড়িটির আগের মালিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সুত্রের তথ্য মতে, ওই গাড়িটিই ব্যবহার করে কাটাখাল থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। এরপর প্রায় ১৫ দিন ধরে সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখে পুলিশ।

অবশেষে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে শনিবার রাতে সোনাবাড়িঘাটের দক্ষিণ কৃষ্ণপুর এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জাবেদ হুসেন বড়ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় সুত্রের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি মাঝে মধ্যে পুরনো গাড়ি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত । গরু চুরির ঘটনায় তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জাবেদকে ওই এলাকায় পরিচিত গোমাংস ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরো তথ্য বেরিয়ে এসেছে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু একজনকে গ্রেফতার করলেই হবে না—গরু চুরির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে ঘটনার আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে জেলে পাঠিয়েছে।








