জনতা কলেজে ‘নিজুত মইনা’ ও ‘নিজুত বাবু’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ

উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ জোগানোর বার্তা দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক নিহার রঞ্জন দাস**
কাবুগঞ্জ, ১৫ অক্টোবর: অসম সরকারের ‘মুখ্যমন্ত্ৰীৰ নিজুত মইনা আঁচনি’ ও ‘মুখ্যমন্ত্ৰীৰ নিজুত বাবু আঁচনি’র ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জনতা কলেজ, কাবুগঞ্জে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজের যোগ্য ছাত্রী ও ছাত্রদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়। উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষ থেকে এফওয়াইইউজিপির সপ্তম সেমেস্টার পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এই সহায়তা পান।
সকাল ১১টায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এদিন কলেজের শিক্ষার্থী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা একসঙ্গে গুয়াহাটির খানাপাড়ায় অবস্থিত জ্যোতি-বিষ্ণু আন্তর্জাতিক কলা মন্দিরে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার প্রত্যক্ষ করেন। ওই অনুষ্ঠানে অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রকল্পের সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
জনতা কলেজের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধলাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক নিহার রঞ্জন দাস। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলা পরিষদের সভানেত্রী পম্পি নাথ চৌধুরী-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সরাসরি সম্প্রচার শেষ হওয়ার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিধায়ক নিহার রঞ্জন দাস। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, এই ধরনের সরকারি প্রকল্প শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের আর্থিক বোঝা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এই আর্থিক সহায়তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর পাশাপাশি নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এরপর অতিথিবৃন্দ, কলেজের অধ্যক্ষ ড. দেবাশিস পাল, উপাধ্যক্ষ এবং অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের উপস্থিতিতে যোগ্য শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. কিনশুক চক্রবর্তী।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অতিথিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাঁদের শিক্ষাজীবনে উৎসাহ জোগানোর ক্ষেত্রে জনতা কলেজের এই উদ্যোগ রাজ্য সরকারের শিক্ষামুখী কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।








