মণিপুরে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যুর দাবি, আক্রান্ত নাগা গ্রাম

ইম্ফল: নতুন করে হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত মণিপুর। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ইম্ফল–তামেই সড়ক সংলগ্ন নাগা অধ্যুষিত গ্রামে হামলা, কাংপোকপি জেলায় বাড়িঘরে আগুন লাগানো এবং একাধিক গ্রামে আক্রমণের খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইম্ফল–তামেই সড়ক ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
নাগা গ্রামে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইম্ফল–তামেই সড়কের পাশে একটি নাগা গ্রাম হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি কাংপোকপি জেলার কয়েকটি এলাকায় বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া এবং গ্রামগুলিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তবে আক্রান্ত গ্রামের সুনির্দিষ্ট নাম, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মৃতদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী
মৃতদের দেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সকালে তামেইয়ে পৌঁছালে নাগা ভিলেজ গার্ডরা শূন্যে গুলি বর্ষণ করে শ্রদ্ধা জানান।
নাগাদের হুঁশিয়ারি, ‘ভূমি রক্ষার লড়াই চলবে’
ঘটনার পর নাগা পক্ষের তরফে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যে ভূমি রক্ষার জন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছেন, সেই ভূমি তাঁদেরই থাকবে—এমন অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘মিশন’ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
নিহতদের মৃত্যুর জবাব দেওয়া হবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে—এমন হুঁশিয়ারির কথাও প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে এই বক্তব্যের মূল বক্তা, সংগঠন এবং বিবৃতির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
নতুন করে হিংসা ছড়ানোর খবরের মধ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েনের কথা জানা গেলেও হতাহতের সংখ্যা, বাস্তুচ্যুত মানুষের পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিত বিবরণ প্রয়োজন।








