ভোটার তালিকা নিয়ে Indian Express-এর রিপোর্ট, দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক।

ভোটার তালিকা নিয়ে Indian Express-এর রিপোর্ট, দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক।

১০ মাসে ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির দাবি; Form-6, ভোটার ডেটাবেস ও SIR নিয়ে প্রশ্ন

নয়াদিল্লি, ২৬ সেপ্টেম্বর: ভোটার তালিকার Special Intensive Revision বা SIR এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে The Indian Express-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত প্রায় ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে দুই নির্বাচন কমিশনার—সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী—বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপত্তিগুলির বিষয় ছিল নতুন ভোটার নিবন্ধন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্বহাল, SIR-সংক্রান্ত আপিল, ভোটার তালিকার ডেটাবেসের নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচন কমিশনের IT ব্যবস্থাপনা। The Indian Express জানিয়েছে, ওই আপত্তিগুলির কয়েকটি সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কপি করা হয়েছিল।

Form-6 পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি

প্রতিবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় Form-6। নতুন ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে SIR-সংক্রান্ত একটি নতুন ঘোষণা যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন ভোটারকে জানাতে বলা হয়, তাঁর নিজের অথবা বাবা-মা/দাদু-দিদার নাম আগের SIR-এর ভোটার তালিকায় ছিল কি না।

The Indian Express-এর দাবি, নির্বাচন কমিশনার বিবেক যোশী মে মাসে নথিভুক্ত আপত্তিতে বলেছিলেন, আইনগতভাবে নির্ধারিত Form-6 পরিবর্তন করতে হলে Registration of Electors Rules, 1960 সংশোধনের প্রয়োজন। সান্ধুও পরে ওই অবস্থানের সঙ্গে একমত হন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অনলাইন Form-6-এ ওই প্রশ্ন যুক্ত করা হয়।

সান্ধু ১৩ আগস্টের একটি নোটে পরিবর্তনটিকে “unauthorised/illegal” বলে উল্লেখ করে তা দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ভোটার ডেটাবেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন

The Indian Express-এর অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, ভোটার তালিকার ডিজিটাল ডেটাবেসের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয়ভাবে কেন্দ্রীভূত করার বিষয়ে দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

যোশী মে মাসে ভোটার ডেটাবেসের “gradual centralisation” নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি অডিটের প্রস্তাব করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারও যেন ভোটার ডেটাবেসে পরিবর্তন করার ক্ষমতা না থাকে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পরে সান্ধুও রাজ্য পর্যায়ের আধিকারিকদের ERONet ব্যবস্থায় যথাযথ ও সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এখানেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে—ভোটার তালিকা তৈরির প্রক্রিয়ায় স্থানীয় Electoral Registration Officer (ERO)-দের ভূমিকা কতটা কার্যকর থাকছে এবং কেন্দ্রীয় IT ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা আটকে দেওয়া সম্ভব কি না।

গোয়া ও পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাও প্রতিবেদনে

The Indian Express-এর অনুসন্ধানে গোয়ার একটি ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি, গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর কয়েকদিনে একাধিকবার ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি rollback option সক্রিয় করার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু সময়মতো সেই ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় ৯৭ জন ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় না থাকার ঘটনা সামনে আসে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় পুনর্বহাল হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিপুল সংখ্যক আপিল দায়ের করার প্রক্রিয়া নিয়েও দুই কমিশনারের প্রশ্ন ছিল বলে The Indian Express জানিয়েছে।

চার মাস পূর্ণাঙ্গ বৈঠক না হওয়ার প্রশ্ন

প্রতিবেদনটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো, মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রায় চার মাস কমিশনের তিন সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বৈঠক হয়নি। পরে ৯ সেপ্টেম্বর তিন কমিশনার বৈঠকে বসেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে IT-সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে দুই কমিশনারের আপত্তির কথাও উঠে আসে।

তবে এসব তথ্যের অর্থ কমিশনের সিদ্ধান্ত অবৈধ ছিল—এমন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্য

The Indian Express-এর অনুসন্ধান প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন জানায়, কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত, পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার অংশ। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ নোট ও মতামতকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়।

কমিশন আরও দাবি করেছে, গত এক বছরে SIR-সহ কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত পূর্ণ কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল। কমিশনের দাবি, অভ্যন্তরীণ নোট, প্রযুক্তিগত পরামর্শ এবং checks and balances কমিশনের নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।

কমিশন ভোটার তালিকার সফটওয়্যার নিয়েও জানিয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি কঠোর ডেটা-সুরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয় এবং Electoral Registration Officer ও District Election Officer-রা আইনে নির্ধারিত ক্ষমতা অনুযায়ী ভোটার নিবন্ধন ও নাম বাদ দেওয়ার কাজ করেন।

তবে The Indian Express-এর পরবর্তী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনের ওই বিবৃতিতে দুই কমিশনারের নির্দিষ্ট আপত্তিগুলির কীভাবে নিষ্পত্তি হয়েছিল—তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। Form-6 পরিবর্তনের অনুমোদন, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং কমিশনের IT ব্যবস্থাপনা নিয়ে উত্থাপিত নির্দিষ্ট প্রশ্নগুলিরও বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

NDA-র শরিকদের মধ্যেও স্পষ্টীকরণের দাবি

এই বিতর্কের মধ্যেই NDA-র কয়েকটি শরিক দল নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও LJP (রামবিলাস) নেতা চিরাগ পাসোয়ান বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে মানুষের মনে সংশয় তৈরি হওয়া সমস্যাজনক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের উচিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা।

TDP-র লোকসভা দলনেতা লাভু শ্রীকৃষ্ণ দেবরায়ালু বলেন, অন্ধ্রপ্রদেশে SIR প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে হয়েছে বলে তাঁর পর্যবেক্ষণ। তবে কোনও প্রশ্ন উঠলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যাখ্যা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা হলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

RLM নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহাও নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী নিয়ে ওঠা প্রশ্নের ব্যাখ্যা চেয়েছেন। অন্যদিকে JD(U)-র মুখপাত্র রাজীব রঞ্জন বিরোধীদের অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, অভিযোগ সত্য হলে কেন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি—তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

বিরোধীদের রাজনৈতিক চাপ

Indian Express-এর প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধী দলগুলিও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছে। The Indian Express-এর আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী দলগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তবে এটি রাজনৈতিক দলের দাবি ও প্রস্তাবের পর্যায়ে রয়েছে; নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালত বা কোনও স্বাধীন তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত এখনই দেওয়া যায় না।

মূল বিতর্ক কোথায়?

বর্তমান বিতর্ক মূলত তিনটি প্রশ্নকে ঘিরে—

প্রথমত, কমিশনের দুই সদস্যের নথিভুক্ত আপত্তি থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলি কীভাবে কার্যকর হলো?

দ্বিতীয়ত, আইনগতভাবে নির্ধারিত Form-6 পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধন হয়েছিল কি না?

তৃতীয়ত, ভোটার তালিকার ডিজিটাল ডেটাবেসে কেন্দ্রীয় IT ব্যবস্থার ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ের আইনগত কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখা হচ্ছে?

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো, মতপার্থক্য ও অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি পূর্ণ কমিশনের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।

Soruce:

মূল অনুসন্ধানী প্রতিবেদন — ১০ মাসে ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি Indian Express: 14 times in 10 months, two Election Commissioners objected on record⁠�
— পুরো বিতর্কের মূল প্রতিবেদন; SIR, ভোটার নাম বাদ দেওয়া, Form-6 এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ আপত্তির বিষয় রয়েছে। �
The Indian Express
Form-6 পরিবর্তন নিয়ে দুই কমিশনারের আপত্তি ‘Illegal, unauthorised’: Election Commissioners objected to Form 6 change⁠�
— নতুন ভোটার নিবন্ধনের Form-6-এ পরিবর্তন নিয়ে আপত্তির বিস্তারিত। �
The Indian Express
ভোটার ডেটাবেস ও ECINet নিয়ে প্রশ্ন Election Commissioners flagged centralised IT control and voter database issues⁠�
— ECINet, কেন্দ্রীয় IT নিয়ন্ত্রণ এবং Electoral Registration Officer-দের ক্ষমতা নিয়ে আপত্তির বিষয়টি এখানে বিস্তারিত রয়েছে। �
The Indian Express
নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্য ‘Differing views’ part of decision-making, says Election Commission⁠�
— কমিশন জানিয়েছে, সদস্যদের ভিন্ন মতামত সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ এবং গত এক বছরের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ছিল। �
The Indian Express
বিতর্কের পর NDA-র শরিকদের স্পষ্টীকরণের দাবি BJP allies ask Election Commission to clarify position⁠�
— TDP, LJP (Ram Vilas) ও RLM নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে। �
The Indian Express
বিতর্কের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া Opposition targets CEC Gyanesh Kumar after Express investigation⁠�
— বিরোধী দলগুলির প্রতিক্রিয়া, CEC-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং SIR নিয়ে তাদের দাবিগুলি এখানে রয়েছে। �
The Indian Express
Indian Express Explainer — কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপট Rupture in Election Commission: How dissent has played out in the poll panel⁠�মূল অনুসন্ধানী প্রতিবেদন — ১০ মাসে ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি Indian Express: 14 times in 10 months, two Election Commissioners objected on record⁠�
— পুরো বিতর্কের মূল প্রতিবেদন; SIR, ভোটার নাম বাদ দেওয়া, Form-6 এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ আপত্তির বিষয় রয়েছে। �
The Indian Express
Form-6 পরিবর্তন নিয়ে দুই কমিশনারের আপত্তি ‘Illegal, unauthorised’: Election Commissioners objected to Form 6 change⁠�
— নতুন ভোটার নিবন্ধনের Form-6-এ পরিবর্তন নিয়ে আপত্তির বিস্তারিত। �
The Indian Express
ভোটার ডেটাবেস ও ECINet নিয়ে প্রশ্ন Election Commissioners flagged centralised IT control and voter database issues⁠�
— ECINet, কেন্দ্রীয় IT নিয়ন্ত্রণ এবং Electoral Registration Officer-দের ক্ষমতা নিয়ে আপত্তির বিষয়টি এখানে বিস্তারিত রয়েছে। �
The Indian Express
নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্য ‘Differing views’ part of decision-making, says Election Commission⁠�
— কমিশন জানিয়েছে, সদস্যদের ভিন্ন মতামত সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ এবং গত এক বছরের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ছিল। �
The Indian Express
বিতর্কের পর NDA-র শরিকদের স্পষ্টীকরণের দাবি BJP allies ask Election Commission to clarify position⁠�
— TDP, LJP (Ram Vilas) ও RLM নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে। �
The Indian Express
বিতর্কের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া Opposition targets CEC Gyanesh Kumar after Express investigation⁠�
— বিরোধী দলগুলির প্রতিক্রিয়া, CEC-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং SIR নিয়ে তাদের দাবিগুলি এখানে রয়েছে। �
The Indian Express
Indian Express Explainer — কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপট Rupture in Election Commission: How dissent has played out in the poll panel⁠�
— নির্বাচন কমিশনে অতীতে মতপার্থক্যের নজির এবং বর্তমান ঘটনাটির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করা হয়েছে। �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

और पढ़ें

error: Content is protected !!